A jagged black hole with cracked and crazed glass reveals the workings of a thief in the night, during the morning after. One more car crime on the streets of London.

ভোলা টাইমস্ ডেক্স:
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৬ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেয় রাঙ্গুনিয়া থানা–পুলিশ।
এর আগে ১১ জানুয়ারি দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশকে তাগাদা দিয়েছিলেন আদালত।
তদন্ত প্রতিবেদনে হামলার ঘটনায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামসুজ্জোহা সিকদার, সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুস, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শিমুল গুপ্ত, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমকে অভিযুক্ত করা হয়।
এ ছাড়া সরকারদলীয় নেতা–কর্মী হিসেবে মো. সরওয়ার, নাজিমুদ্দিন, রাসেল, মহসীন, জাহেদ, আলমগীর, নঈমুল ইসলাম, পাভেল বড়ুয়া, মো. জাহেদ, ইকবাল হোসেন, নাহিম, এনামুল হক, রাসেল, সাইফুল, মাহাবুব, আনোয়ার, নেসার উল্লাহ, বেলাল, মুজাহিদ, বাপ্পা, মো. হারুনসহ মোট ২৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার বাদী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন পুলিশ প্রতিবেদন না দেওয়ায় আদালত তাগাদা দেন। এরপর পুলিশ ২৬ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছে। আগামী ধার্য তারিখে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত পরোয়ানা জারি করবেন। এরপর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।
২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঘটনা সরেজমিন পরিদর্শনে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া হয়ে কাপ্তাই সড়ক দিয়ে রাঙামাটির উদ্দেশে রওনা হয়। তখন রাঙামাটির পাহাড়ধসে ১১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে। যাওয়ার পথে রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালী এলাকায় রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। হামলার পর বিএনপির প্রতিনিধিদল রাঙামাটি না গিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে আসে।
ঘটনার পর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ওই হামলার জন্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে দায়ী করেন। তিনি ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য। তবে ঘটনার সময় হাছান মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এই ঘটনার পর একই বছরের ২১ জুন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এনামুল হক বাদী হয়ে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৬ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ প্রথম দফায় আদালতে যে প্রতিবেদন দেয়, তাতে বলা হয়—ঘটনা সত্য হলেও জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদী রিভিশন মামলা করলে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।
